টনসিলাইটিস মূলত গলার দু'পাশে থাকা টনসিল গ্রন্থিগুলোর প্রদাহ। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। টনসিলাইটিসের প্রধানত তিন ধরনের হয়:
(ক) এটি সবচেয়ে সাধারণ প্রকার।
(খ) লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিন বা কখনও কখনও ২ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
(গ) ঠান্ডা-সর্দি, জ্বর, গলা ব্যথা, খাবার গিলতে কষ্ট, টনসিলে লালচে ভাব বা সাদা/হলুদ আস্তরণ দেখা দিতে পারে।
(ক) যখন একজন ব্যক্তির বছরে অনেকবার টনসিলাইটিস হয়, তখন তাকে পুনরাবৃত্ত টনসিলাইটিস বলা হয়।
(খ) এক্ষেত্রে সংক্রমণ বারবার ফিরে আসে এবং অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তেমন সাড়া দেয় না।
(ক) যদি টনসিলের উপসর্গ দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে তা ক্রনিক টনসিলাইটিস হতে পারে।
(খ) এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী গলা ব্যথা, মুখে দুর্গন্ধ, ঘুমের সমস্যা (নাক ডাকা), মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং এমনকি টনসিল পাথর
(টনসিলে ক্যালসিয়াম জমে সাদা বা হলুদ দানা) হতে পারে।
এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে টনসিলের জটিলতা হিসাবে পেরিটোনসিলার
অ্যাবসেস (tonsillar abscess) বা টনসিলের আশেপাশে পুঁজ জমা হতে পারে, যা একটি গুরুতর অবস্থা।
টনসিলাইটিসের
কারণের ওপর ভিত্তি করে এটিকে ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়ালও বলা যেতে পারে। ভাইরাল টনসিলাইটিস সাধারণত ছোট শিশুদের মধ্যে
বেশি দেখা যায়, আর ব্যাকটেরিয়াল টনসিলাইটিস, বিশেষ করে স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট "স্ট্রেপ থ্রোট", বড় শিশু
এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বেশি হয়।