হোমিওপ্যাথি মতে ডায়াবেটিস রোগের ইতিহাস ও চিকিৎসা বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সুসংগঠিত আলোচনা তুলে ধরা হলো।
ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী বিপাকজনিত রোগ, যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপন্ন করতে পারে না বা ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
(ক) Type 1 Diabetes: অটোইমিউন প্রতিক্রিয়ায় ইনসুলিন উৎপাদক কোষ নষ্ট হয়
(খ) Type 2 Diabetes: ইনসুলিন রেজিস্টেন্স এবং উৎপাদনের ঘাটতি
১৮শ শতাব্দী (ডা. হ্যানিম্যান যুগ): শ্রদ্ধেয় স্যার ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান (Samuel Hahnemann), হোমিওপ্যাথির জনক, ডায়াবেটিসকে psoric ও sycotic মিয়াজমের মিলিত ফল বলে মনে করতেন। তিনি রোগের লক্ষণের পেছনে থাকা দেহের গভীরতর অসাম্য নির্ণয় করে চিকিৎসার ভিত্তি তৈরি করেন।
(ক) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা লক্ষ করেন যে, ডায়াবেটিস কোনো একক রোগ নয় বরং এটি একজন
রোগীর শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
(খ) এর ফলাফল হতে পারে: বারবার প্রস্রাব, পিপাসা, দুর্বলতা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, শুক্রতা হ্রাস, পা জ্বলা, ক্ষত না শুকানো ইত্যাদি।
১. Constitutional Approach: রোগীর ব্যক্তিত্ব, মানসিক অবস্থা, শারীরিক লক্ষণ, পারিবারিক
ইতিহাস, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি সবকিছু বিচার করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
২. Miasmatic Treatment: দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিসে Psora-Sycosis-Syphilis এই তিনটি মিয়াজমিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে গভীর
থেকে রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করা হয়।
৩. সাধারণ লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন: ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও ক্ষুধা, দুর্বলতা, শুকনো মুখ, পায়ে জ্বালাপোড়া,
ঘুমে সমস্যা, শুক্রতা হ্রাস